• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :

ব্রয়লার মুরগীর দাম এখনো নাগালের বাইরে

সিসি নিউজ।। গরু, ছাগলের মাংসের সাথে দেশি ও সোনালি মুরগির মাংস খাওয়া বাদ দিয়েছি অনেক আগেই। ব্রয়লার মুরগির মাংস ছিল আমাদের গরীবের মাংস। ১৩০ হতে ৪০ টাকা কেজি দরে আগে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনতাম। সরকার রমজান উপলক্ষে ১৯৫ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম নির্ধারণ করে দেওয়ায় কিছুটা খুশি হয়েছিলাম। মনে করেছিলাম সন্তানদের ব্রয়লারের মাংস হলেও সেহরিতে খাওয়াতে পারবো। তবে বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার মুরগী এখন আর গরিব মানুষের মাংস নাই।
আক্ষেপ ও ক্ষোভ নিয়ে কথাগুলো বললেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভ্যান চালক জহুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সামর্থ না থাকায় ছোট ছোট রিটা মাছ কিনে সেহরি করেছি। আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক শত টাকার ভাড়াও মারতে পারি নাই। ইফতারের খাবারের টাকাও উপার্জন হয় নাই।
পবিত্র রমজান মাসে কাঁচা বাজারসহ নিত্যপন্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগী ২৫০ টাকা কেজি, দেশি মুরগী ৬০০ টাকা, সোনালী মুরগী ৩৫০, গরুর মাংস ৬৫০ ও ছাগলের মাংস ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
পবিত্র রমজান মাসে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের উপর্জন কমে যাওয়ায় সেহরি ও ইফতার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে তারা।
দিনমজুর আমিনার রহমান বলেন, রমজান মাস আসলেই আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। দিনে তিন হতে চার শত টাকা আয় হয়। এই টাকা দিয়ে কোন রকম চাল, ডাল, আলু কেনা যায়। মাংস কেনার কথা কল্পনাতেও আনি না।
মুরগী বিক্রেতা রবিয়াল ইসলাম বলেন, ২২৩ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগী কিনে ২৫০ টাকায় বিক্রি করছি। পাইকারী বেশি দাম কিনলে, আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
আরেক মুরগী বিক্রেতা মাইকেল ইসলাম বলেন, কোম্পানি হতে চার হাত পরিবর্তনের পর আমরা খুচরা ব্যবসায়ীরা মুরগী পাই। তাই আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়।
এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি জানান, প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং চলছে। কেউ বেশি দামে পন্য বিক্রি করলে ভ্র্যাম্যমান আদালতের আওতায় তাদের আনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ